বাংলা ভাষায় প্রোগ্রামিং শিক্ষা

LATEST :
সাইটটির উন্নয়ন চলছে এবং শীঘ্রই উন্নয়ন করা হবে

রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৫

কৈশোরে কোটিপতি

নেকলেস বালিকা
এমথ্রি গার্ল ডিজাইন (www.m3girldesigns.com) নামের মার্কিন গয়না নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান ম্যাডি ব্র্যাড শ। বছরে এ প্রতিষ্ঠানটির আয় ১৬ লাখ ডলারের বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে ছয় হাজারের বেশি খুচরা দোকান আছে এই প্রতিষ্ঠানের। প্রতি মাসে ৬০ হাজারের বেশি নেকলেসই বিক্রি করে ম্যাডির কোম্পানি। এত আয় যার, তার বয়স কিন্তু এখন ১৭ মাত্র! ১৬তম জন্মদিন পেরোনোর পরে ম্যাডি শুরু করে তার কোম্পানি। আর অল্পদিনেই নিজের বাহারি ডিজাইনের জুয়েলারি বিক্রি করে কোটিপতির ঘরে নাম লেখায় সে। কোমল পানীয়র ছিপির মতো নকশার নেকলেস বিক্রি করে ‘নেকলেস বালিকা’ নামে আলোচিত হয় ম্যাডি। সূত্র: ডিজিটাল জার্নাল


ব্রেইল প্রিন্টার বিক্রি করেই কোটিপতি
মাত্র ১৩ বছর বয়সেই উদ্যোক্তা হিসেবে নাম করেছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন কিশোর শুভম ব্যানার্জি। সবে অষ্টম শ্রেণিতে উঠেছে শুভম, আর এরই মধ্যে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য দারুণ এক কাজ করেছে শুভম। ব্র্যাইগো ল্যাবস নামে উদ্যোগের মাধ্যমে শুভম সস্তায় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল বই ছাপার জন্য প্রিন্টার নির্মাণ করে। ইন্টেল সম্প্রতি শুভমের এই উদ্যোগে বেশ বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করেছে। শুভমের ব্রেইল প্রিন্টারের দাম পড়ে ৩৫০ ডলার। সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস



কিশোর আমদানিকারক
চীনা-মার্কিন কিশোর জোনাথান কুন। চীন থেকে গাড়ির যন্ত্রাংশ আমেরিকায় আমদানি করেই কোটিপতি হয় কিশোর কুন। ১৬ বছর বয়সে স্কুলে পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবসা শুরু করে সে। বছর না পেরোতেই নামের আগে মিলিওনেয়ার তকমা জুটে যায় তার। বর্তমানে তার বার্ষিক আয় প্রায় ৮০ লাখ ডলার, বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬৪ কোটি টাকা।



ওয়েবসাইট বানিয়েই কোটিপতিমাত্র ১৬ বছর বয়সে এক লাখ ডলার আয় করে মার্কিন কিশোরী জুলিয়েট ব্রিনদ্যাক। মিস ও ফ্রেন্ডস নামে দুটি সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট তৈরি করে আলোচিত হয় সে। কিশোরীদের জন্য বিশেষায়িত এই সাইট দুটি জুলিয়েটকে কোটিপতি বানিয়ে দেয়। বর্তমানে তার আয় ১৫ লাখ ডলারের বেশি, বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১২ কোটি টাকা।




  

 স্যান্ডেলের নকশা করেই কোটিপতি
ম্যাডিসন রবিনসন
উদ্যোক্তা
২০১৩ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সেই ১০ লাখ ডলার আয় করে চমকে দেয় টেক্সাসের কিশোরী ম্যাডিসন রবিনসন। আমরা যে স্পঞ্জের স্যান্ডেল পরি, তার জন্য বৈচিত্র্যময় নকশা করেই এখন কোটিপতি ম্যাডিসন। তার প্রতিষ্ঠিত রবিনসন কোম্পানির স্পঞ্জের স্যান্ডেল ব্র্যান্ড ফিস ফ্লপস। এই ব্র্যান্ডের জন্য নানা রঙের স্যান্ডেল নকশা করে সে। প্রতি স্যান্ডেল বিক্রি হয় ২৫ ডলার করে। আর এই বিক্রির লভ্যাংশ দিয়েই এখন সফল উদ্যোক্তা ম্যাডিসন। বর্তমানে তার আয় ১০ লাখ ডলার (প্রায় ৮ কোটি টাকা) ছাড়িয়ে গেছে।





এক গানেই বাজিমাতজাস্টিন বিবার
গায়ক
ইউটিউবে আপলোড করা এক ভিডিও থেকেই শুরু বর্তমান সময়ের আলোচিত গায়ক জাস্টিন বিবারের। ২০০৭ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে স্থানীয় এক সংগীত প্রতিযোগিতায় জাস্টিন অংশ নেয় নে-ইয়োর ‘সো সিক’ গানটি নিয়ে। তার মা প্রতিযোগিতায় গাওয়া গানের ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করে দেন। সেই ভিডিও দেখেই তাকে খুঁজে বের করেন এক রেকর্ড স্টুডিওর মালিক স্কুটার ব্রাউন। আর সেই থেকে যাত্রা শুরু বিবারের। ২০০৯ সালে বিবারের প্রথম একক গান ‘ওয়ান টাইম’ মুক্তি পায়। সে থেকে তার জয় রথ ছুটেই চলছে। এরই মধ্যে ১০ লাখ ডলার আয়ের মাইলফলক ছুঁয়েছে এই টিন সেনসেশন। ইতিমধ্যে প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ স্ট্যাম্পড, স্পটিফাই, শটস, গেমস নির্মাতা সোজো স্টুডিওতে লাখ ডলার বিনিয়োগ করেছে সে। বর্তমানে তার আয় ১০ দশমিক ৮ লাখ ডলারের (প্রায় ৮.৮ কোটি টাকা) কিছু বেশি।
সূত্র: ফোর্বস, অ্যাডিক্টেড টু সাকসেস

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

স্বত্বাধিকারী © ২০১৫ প্রোগ্রামিং এর মহাজগৎ সব অধিকার সংরক্ষিত
^